হার্প টেকনোলজি‌ কি। হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় দেখুন এখানে

4.8
(424)

পৃথিবীতে এমন টেকনোলজি তৈরি হয়েছে যার মাধ্যমে, ভূমিকম্প টর্নেডো জলোচ্ছ্বাস এর মত যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ উৎপন্ন করা সম্ভব। আর এই টেকনোলজির নাম হচ্ছে হার্প টেকনোলজি‌। আজকের এই পোস্ট থেকে আমরা জানবো হার্প টেকনোলজি কি এবং হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় এ বিষয় বিস্তারিত।

টেকনোলজি নিয়ে আমাদের সবারই কিছু না কিছু জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। অনেকেই হয়তো এখনো টেকনোলজি দিয়ে অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে যারা জানে না টেকনোলজি কতটা উন্নত হয়েছে। বর্তমান সময়ে টেকনোলজি কতটা উন্নতির শিখরে পৌঁছে গিয়েছে যেটা আমরা হয়তো কল্পনাও করতে পারি না। তবে বিজ্ঞানের সহায়তায় আমরা টেকনোলজির সুবিধা নিয়ে যাচ্ছি।

আরো পড়ুনঃ বাংলা এক্সপ্রেস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

সম্প্রতি তুরস্ক সিরিয়ায় ভূমিকম্প হওয়ায় এই হার্প টেকনোলজি‌ অনেকটাই আলোচনায় এসেছে, কিছু কিছু দেশ বলছে যে তুরাশকে তৈরি এই ভূমিকম্প সম্পূর্ণই নিজস্বভাবে তৈরি করা হয়েছে যদিও এই হার্প টেকনোলজি‌ দিয়ে ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ তৈরি করা সম্ভব এরকম কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি।

তবে তার পরেও কেন এই হার্প টেকনোলজি‌ নিয়ে এত মাতামাতি জানবো এই পোস্টে। আপনারা যারা এখনো হার্প টেকনোলজি‌ এবং হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় এ সম্পর্কে জানেন না তারা আজকের পোস্ট সম্পূর্ণ পড়ুন আশা করি হার্প টেকনোলজি‌ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা পাবেন এবং সবকিছু ক্লিয়ার হয়ে যাবেন।

হার্প টেকনোলজি‌ কি। হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় দেখুন এখানে
হার্প টেকনোলজি‌ কি। হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় দেখুন এখানে

হার্প টেকনোলজি‌ কি

মূলত বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর নিয়ে গবেষণায় এই হার্প টেকনোলজি‌ ব্যবহার করা হয়। তবে এই টেকনোলজি দিয়ে কৃত্রিমভাবে পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ভূমিকম্প, টর্নেডো, জলোচ্ছ্বাসের মতো নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ তৈরি করা সম্ভব। বিষয়টি অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই বাস্তব।

আরো পড়ুনঃ গরুর রক্তের গ্রুপ কি

সম্প্রতি তুরস্ক সিরিয়ায় ভূমিকম্পে পুরো দেশ ভাঙচুর হয়ে যাওয়ায় পুনরায় এই হার্প টেকনোলজি‌ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচুর সমালোচনা হচ্ছে। কারণ সমালোচকদের দাবি যে তুরস্কের এই ভূমিকম্প এটি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয় মূলত কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই ভূমিকম্প।

যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোন সঠিক সমাধান পাওয়া যায়নি তবে ২০১০ সাল ও ২০১১ সালে কিছু কিছু দেশে ভূমিকম্প হয়েছিল তখন এই হার্প টেকনোলজি‌ কিছু ব্যবহার দেখেই মূলত এই টেকনোলজি জনগণের মাঝে এতটা সারা ফেলেছে এবং সবাই এটা নিয়েই সমালোচনা করছে যে এখন বড় ধরনের দুর্যোগ হলেই যেন এই হার্প টেকনোলজি‌র মাধ্যমে করানো হচ্ছে।

হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায়

এতক্ষণে হয়তো বুঝে গেছেন হার্প টেকনোলজি কতটা শক্তিশালী ও ভয়ানক হতে পারে, শুধুমাত্র ভূমিকম্পই নয় আরো নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ তৈরি করতে সক্ষম এই  হার্প টেকনোলজি‌। হয়তো আপনার মনে এখন প্রশ্ন জাগছে এতটা শক্তিশালী প্রযুক্তি দিয়ে আসলে কি কি করা যেতে পারে চলুন আমরা এবার দেখে নেই হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় বা হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা সম্ভব। 

মূলত বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর নিয়ে গবেষণার কাজে এই হার্প টেকনোলজি‌ ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে এই টেকনোলজি দিয়ে আরও নানা ধরনের কার্যসম্পন্ন করা হয় চলুন দেখে নেই হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায় সে সম্পর্কে বিস্তারিত।

  • হার্প টেকনোলজি দিয়ে পৃথিবীর মধ্যে থাকা চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন আনা সম্ভব।
  • হার্প টেকনোলজি‌ দিয়ে কৃত্রিমভাবে ভূমিকম্প সৃষ্টি করা সম্ভব।
  • হার্প টেকনোলজি‌ দিয়ে কৃত্রিমভাবে জলোচ্ছ্বাস তৈরি করা যায়।
  • হার্প টেকনোলজি‌র ব্যবহারে শক্তিশালী টরোনেডো তৈরি করা সম্ভব।
  • হার্প টেকনোলজি‌ দিয়ে কৃত্রিম মেঘ বা প্লাজমা মেঘ তৈরি করা সম্ভব।
  • হার্প টেকনোলজি‌ দিয়ে যে কোনো ধরনের মিসাইল কিংবা এয়ারক্রাফট কে ধ্বংস করা সম্ভব। 

আরো পড়ুনঃ পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্ট ধর্ম কোনটি

উপরের লিস্ট গুলো দেখে আশা করি আপনি কিছুটা হলেও ধারণা পেয়েছেন যে এই শক্তিশালী হার্প টেকনোলজি‌ আসলে কি এবং হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা। যদিও এর আরও একাধিক কাজ রয়েছে যেগুলো আপনি ইউটিউবে সার্চ করলেও পেয়ে যাবেন। এবং ইউটিউবে হার্প টেকনোলজি‌ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়েছে এই হার্প টেকনোলজি‌ সম্পর্কে।

হার্প কি কিভাবে কাজ করে?

হার্পের পূর্ণরূপ হচ্ছে “The High-Frequency Active Auroral Research Program”। এই প্রোগ্রামের লক্ষ্য হচ্ছে আয়নোস্ফিয়ার বা আয়নমন্ডলের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ নিয়ে গবেষণা করা। আয়নোস্ফিয়ার হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৮ কিমি থেকে ৯৬৫ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমন্ডলীয় এলাকা। এটি নিয়েই হার্প গবেষণা করে।

হার্প এর ফ্রিকোয়েন্সি কত?

হার্প এর আয়নোস্ফিয়ারিক প্লাজমা গরম করতে HF ( 3-30 MHz) এ শক্তিশালী রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে। লো-ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 0-400 Hz-এ, বীণা অ-দিকনির্দেশক, মাঝারি ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 400-2000 Hz-এ, বীণাটি যন্ত্রের সামনের এবং পিছনের উভয় দিকে উচ্চ শব্দের স্তরঙ্গ সহ দিকনির্দেশনামূলক হয়।

শেষ কথা

সম্মানিত পাঠাগবৃন্দ আশা করি হার্প টেকনোলজি সম্পর্কে আপনাদের বিস্তারিত জানাতে পেরেছি, আজকের এই পোস্টে আমরা মূলত হার্প টেকনোলজি কি এবং হার্প টেকনোলজি দিয়ে কি কি করা যায়। এই সকল বিষয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি আশা করি আপনি হার্প টেকনোলজি বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

হার্প টেকনোলজি সম্পর্কে আপনার যদি কোন অজানা প্রশ্ন থাকে আমাদের কমেন্ট বক্সে করতে পারেন আমরা আপনার অজানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। এতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের পোস্ট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।

How useful was this post?

Click on a star to rate it!

Average rating 4.8 / 5. Vote count: 424

No votes so far! Be the first to rate this post.

As you found this post useful...

Follow us on social media!

We are sorry that this post was not useful for you!

Let us improve this post!

Tell us how we can improve this post?

Leave a Comment